আমাদের দেশের অর্থনীতি এখনও কৃষি নির্ভর। স্বল্প শ্রম, স্বল্প পুঁজির মাধ্যমে আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দারিদ্র বিমোচনের মাধ্যম হিসেবে মৌ-চাষ অনন্য। আধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে মৌ-চাষ করে মধু ও মোম ছাড়াও পরাগায়নের মাধ্যমে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি করে দেশের অর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়ন সম্ভব। অর্থনৈতিকভাবে উপকারের দিক থেকে মৌ-মাছিকে সেরা ধরা হয়। মধু ছাড়াও মোম এবং আঠা সংগ্রহ করা হয় মৌচাক হতে। এছাড়া পরাগায়নে সাহায্য করে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধিতে ও ভুমিকা রাখে মোমাছি। মধু সারা পৃথিবীতে সব থেকে সুস্বাদু ও উত্তম পানিয় হিসেবে বিবেচিত যা রোগ প্রতিরোধেও বড় ভুমিকা রাখে। একটা সময় ছিলো যখন শুধু সুন্দরবন থেকে মধু সংগ্রহ করা হতো। মৌয়ালরা বাঘের ভয়কে তুচ্ছ করে মধু সংগ্রহ করতেন। তারা আঞ্চলিকভাবে মধু সংগ্রহ করত যার ফলে অনেক মৌমাছি ধ্বংস হয়ে যেত। বর্তমানে জ্ঞান বিজ্ঞানের ক্রমোন্নতিতে অনেক কিছু সহজ সাধ্য হয়েছে।পৃথিবীর অধিকাংশ দেশেই এখন কাঠের বাক্সে কৃত্রিম বাসায় মৌমাছি চাষ করা হচ্ছে। এ ব্যবস্থায় প্রাকৃতিক পরিবেশ থেকে কলোনি সংগ্রহ করে কৃত্রিম ভাবে রান...